তারা কোন প্রশ্ন করেনি।
মুখ বন্ধ রেখে ছুটে চলেছে।
জন্মেই ছোটা শুরু, যেন
মানুষরুপী পশুর জন্ম হয়েছে।
যেমন করে বকনা বাছুরটা জন্মেই ছোটা শুরু করে বিনা বস্ত্রে,
শাবকটির মুখ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় মাতৃদুগ্ধ।
যেমন সেখানে কেউ বলে না "এ তোমার জন্মগত অধিকার"।
তার শিশুদের বেলাতেও কেউ বলেনা "খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা তোমার অধিকার"।
তাদের মুখে তোলা মন্থনের উত্তেজনায় প্রত্যহ মন্থিত হয়েছে পৃথিবীর দুগ্ধ। তবু সে দুধের
স্বাদ তারা পায়নি। শীর্ন শরীর নিয়ে, সর্বশক্তি দিয়ে, ছিড়তে চেয়েছে দড়ি --
হায়-- এতো শক্তি কোথায়। শুধু নিষৃত হয়েছে তঞ্চিত ইচ্ছা।
তবু প্রশ্ন করেনি, অভিমান হয়নি
এ কিসের জীবন যন্ত্রনা, জানতে চায়নি।
কি আছে জিবনের মানে, তার জীবনের মূল্য কোথায়?
শুধুই কবির মনে শব্দ আনায়?!!
এ ধরনীর বুকে জন্ম নিয়েছো কিসের ইচ্ছা পুরন করতে?
দিনে দিনে শোষিত হয়েছে তোমার দেহের রস।
খন্ডিত হয়েছে দেহমন, ভগ্নিত হয়েছে হৃদয়।
কখনো মাতৃহারা, কখনো ত্যাজিত মাতা হয়ে
ছুটে চলেছো যেন এক পূর্বনির্দিষ্ট পথে।
কখনো প্রশ্ন আসেনা--!
বইছো কিসের জীবন তরী?
যেন শত সহস্র জন্ম ধরে
কোন মহাপুরুষের আসার তরে
করছো রাস্তা তৈ্রী।
পথের শুরুতে জন্মলও
পথের মাঝে চলতে গিয়ে
পথেই আঁচল বেঁধে নাও
পথ ই সাজ ঘর,
পথ ই শয্যা ঘর
মৃত্যু পথের পর।
মুখ বন্ধ রেখে ছুটে চলেছে।
জন্মেই ছোটা শুরু, যেন
মানুষরুপী পশুর জন্ম হয়েছে।
যেমন করে বকনা বাছুরটা জন্মেই ছোটা শুরু করে বিনা বস্ত্রে,
শাবকটির মুখ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় মাতৃদুগ্ধ।
যেমন সেখানে কেউ বলে না "এ তোমার জন্মগত অধিকার"।
তার শিশুদের বেলাতেও কেউ বলেনা "খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা তোমার অধিকার"।
তাদের মুখে তোলা মন্থনের উত্তেজনায় প্রত্যহ মন্থিত হয়েছে পৃথিবীর দুগ্ধ। তবু সে দুধের
স্বাদ তারা পায়নি। শীর্ন শরীর নিয়ে, সর্বশক্তি দিয়ে, ছিড়তে চেয়েছে দড়ি --
হায়-- এতো শক্তি কোথায়। শুধু নিষৃত হয়েছে তঞ্চিত ইচ্ছা।
তবু প্রশ্ন করেনি, অভিমান হয়নি
এ কিসের জীবন যন্ত্রনা, জানতে চায়নি।
কি আছে জিবনের মানে, তার জীবনের মূল্য কোথায়?
শুধুই কবির মনে শব্দ আনায়?!!
এ ধরনীর বুকে জন্ম নিয়েছো কিসের ইচ্ছা পুরন করতে?
দিনে দিনে শোষিত হয়েছে তোমার দেহের রস।
খন্ডিত হয়েছে দেহমন, ভগ্নিত হয়েছে হৃদয়।
কখনো মাতৃহারা, কখনো ত্যাজিত মাতা হয়ে
ছুটে চলেছো যেন এক পূর্বনির্দিষ্ট পথে।
কখনো প্রশ্ন আসেনা--!
বইছো কিসের জীবন তরী?
যেন শত সহস্র জন্ম ধরে
কোন মহাপুরুষের আসার তরে
করছো রাস্তা তৈ্রী।
পথের শুরুতে জন্মলও
পথের মাঝে চলতে গিয়ে
পথেই আঁচল বেঁধে নাও
পথ ই সাজ ঘর,
পথ ই শয্যা ঘর
মৃত্যু পথের পর।